বিয়ানীবাজারে জিআর বরাদ্দের টাকা নিয়ে হট্টগোল!

মোট পড়া হয়েছে 65 

বিয়ানীবাজারের ডাকঃ

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে জিআর বরাদ্দের ৫শ’ টাকা নিয়ে তুমুল হট্রগোল হয়েছে। উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নে টাকাপ্রাপ্তির তালিকায় থাকা অনেকে এই পরিমাণ টাকা না নিয়ে ফিরে গেছেন। এ নিয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ করা গেছে।

এদিকে টাকা বিতরণ নিয়ে রবিবার দুপুর থেকে মুড়িয়া ইউনিয়নে ব্যাপক হট্রগোল শুরু করেন উপকারভোগীরা। তাদের দাবী, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী তালিকায় থাকা নিম্নআয়ের লোকজন ২৫শ’ টাকা করে পাওয়ার কথা। কিন্তু তাদের মাত্র ৫শ’ টাকা করে দেয়া হচ্ছে। এ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তারা মুড়িয়া ইউপি কার্যালয়ে টাকা বিতরণকারীদের দীর্ঘসময় অবরোদ্ধ করে রাখেন। এ সময় কার্যালয়ের ভিতরে আটকা পড়েন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান, আওয়ামীলীগের সভাপতি আতাউর রহমান খানসহ অনেকে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক নূর ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করেন।

বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান জানান, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মোট ৫ হাজার পরিবারের মধ্যে ত্রাণ ও দূর্যোগ মন্ত্রনালয়ের আওতায় প্রাপ্ত জিআর বরাদ্দের টাকা রবিবার বিতরণ করা হয়েছে। এই টাকা এমপি মহোদয়ের অনুমোদনক্রমে প্রস্তুত করা তালিকা অনুযায়ী বিতরণ করা হচ্ছে। ৫শ’ টাকা করে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ৫০০ জন লোকের মধ্যে বিতরণ করা হবে। কিন্তু সকালে মুড়িয়ায় টাকা বিতরণ করা শুরু করলে কিছু লোক ২৫শ’ টাকা করে না দেয়ায় বিশৃংখলা শুরু করে। এটা মহলবিশেষের সৃষ্ট গুজব বলে জানান তিনি।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরো জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা দেয়া ২৫শ’ টাকা সরাসরি উপকারভোগীর মোবাইল ফোনে আসবে। এখানে আমাদের কিছু করার নেই। আর আজকের বিতরণকৃত ৫শ’ টাকা হল পৃথক বরাদ্দের। কিন্তু গুজবে কান দিয়ে অনেকে টাকা না নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

মুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল খায়ের জানান, আমাকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে টাকা বিতরণের কথা জানানো হয়েছে। তবে কোন বরাদ্দের টাকা তা বলা হয়নি। টাকা নিতে আসা উপকারভোগীরা ২৫শ’ টাকা করে না পেয়ে ক্ষোব্দ প্রতিক্রিয় দেখায়। এনিয়ে ঘটনাস্থলে বেশ হট্রগোল শুরু হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *