বিয়ানীবাজারে এলাকাবাসীর হাতে ৫ চোর আটক

মোট পড়া হয়েছে 183 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিয়ানীবাজার উপজেলার মোল্লাপুর ইউনিয়নের পাতন এলাকাবাসীর হাতে ৪ ও বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের অভিযানে এক চোর আটক হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে জনতার হাতে আটককৃত ৪ চোরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এদের সহযোগীকে পৌরসভার দাসগ্রাম থেকে আটক করে। গ্রেফতারকৃত পাঁচ চোরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ তথ্য পেয়ে ৫টি গরু উদ্ধার করে।

সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার মোল্লাপুর ইউনিয়নের পাতন গ্রামে গরু চুরি করতে আসা চোর চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করে এলাকার যুবকরা। এ সময় তারা একটি চুরি যাওয়া গরু আটক করে। এ গরুটি পাতন এলাকার মিনহাজ হোসেনের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পাতন গ্রামবাসী রাতের বেলা চুরি-ডাকাতি ঠেকাতে পাহারার জন্য গ্রামের যুবাদের নিয়ে একটি ভিলেজ ডিফেন্স টিম সক্রিয় তৎপরতা চালাচ্ছে। সোমবার দিবাগত রাতে হঠাৎ একটি চোর দলের উপস্থিতি বুঝতে পেরে যুব সমাজ একটি হোয়াটস্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে একত্রিত হয়ে ৪ চোরকে আটক করে। চোররা পাতন এলাকার মিনহাজ হোসেনের একটি ষাড় চুরি করে। স্থানীয়রা বিয়ানীবাজার থানাকে ঘটনাটি অবগত করলে সোমবার সকাল ৭টায় ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে পুলিশের কাছে সেই চোরদের সোর্পদ করেন গ্রামবাসী।

আটককৃতরা হলো বড়লেখা উপজেলার বর্ণী বারোহাল এলাকার মৃত লালন মিয়ার পুত্র হারুনুর রশিদ (১৮), শংকরপুর এলাকার জফর উদ্দিনের পুত্র জামিল আহমদ ও আব্দুল আজিজের পুত্র মুন্না আহমদ (২২), বিয়ানীবাজারের মোল্লাপুর ইউনিয়নের লামা মাটিকাটা এলাকার আলাউদ্দিনের পুত্র ছুফেল আহমদ (২০)।

আটক চোরদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পৌরসভার দাসগ্রাম এলাকা থেকে ফখরু মিয়ার পুত্র দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করে।

এদিকে চোরদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পৌরসভার নিদনপুর এলাকার শফিক উদ্দিনের বাড়ি থেকে ৪টি গরু উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ একটি গাড়ি জব্দ করে। উদ্ধারকৃত ৪ গরুর মধ্যে বড়লেখার গল্লাসাঙ্গন এলাকার আফতাব হোসেনের একটি গাভী রয়েছে। অপর তিনটি গরুর মালিক পাওয়া যায়নি।

বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অবনী শংকর কর বলেন, স্থানীয় জনতা ৪ চোরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরো একজনকে পুলিশ আটক করে এবং ৫টি গরু উদ্ধার করে। তিনটি গরুর পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রকৃত মালিকরা উপযুক্ত প্রমানাদি দিয়ে থানা থেকে গরুগুলো নিতে পারবেন। আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হচ্ছে।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.