নূরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সত্যতা পায়নি তদন্ত কমিটি

মোট পড়া হয়েছে 193 

বিয়ানীবাজারের ডাক ডেস্কঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী গত ২১ সেপ্টেম্বর ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। এ মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরসহ আরও চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সহায়তার অভিযোগ আনা হয়।

এ ঘটনায় ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

রোববার (১১ অক্টোবর) তদন্ত কমিটি তাদের জমা দেওয়া প্রতিবেদনে বলেছে, হাসান আল মামুন ওই ছাত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক’ করেছে, এমন তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত কমিটির এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন ধর্ষকদের গ্রেফতারের দাবি অনশনরত ওই ছাত্রী।

তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ‘অভিযোগকারী এজাহারে হাসান আল মামুনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করলেও হাসান আল মামুন সেটি অস্বীকার করেছেন।

একই বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবেই তাদের পরস্পরের পরিচয় হয়, সাংগঠনিক কাজের সূত্রে নয়। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের মতো কোনো ঘটনা ঘটছে কিনা সে বিষয়ে তদন্ত কমিটি কোনো তথ্য প্রমাণ পায়নি।

এমনকি অভিযোগকারীও এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির কাছে কোনো তথ্য প্রমাণ দিতে পারেননি। প্রতিবেদনে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের সঙ্গে অভিযোগকারী ছাত্রীর কখনোই সাক্ষাৎ হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়। ’ এছাড়াও মামলার বিবাদীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে’ বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরসহ অপর চারজনের বিরুদ্ধে গত ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর পৃথক দুটি মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। এরই প্রেক্ষিতে ২৩ সেপ্টেম্বর সংগঠনের ঢাবি শাখার সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লার নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলো সংগঠনটি।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ‘নিরপেক্ষ নয়’ মন্তব্য করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ছাত্রী। তিনি বলেন, ‘ছাত্র অধিকার পরিষদের তদন্ত কমিটির প্রধান যাকে করা হয়েছে, তিনি ইয়ামিন বিন মোল্লা। তিনিই এই অভিযোগকে মিথ্যা ও সরকারের ষড়যন্ত্র বলে বিক্ষোভ মিছিল করেছিলেন। পরে তাকে তদন্ত কমিটির প্রধান করায় তার নিরপেক্ষতা থাকে না। সেই জায়গা থেকে আমি মনে করি, এটা নিরপেক্ষ তদন্ত নয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *