বিয়ানীবাজার উপজেলায় চলছে রং তামাশা

মোট পড়া হয়েছে 79 

মোঃ জাকির হোসেনঃ

স্বনামধন্য সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় চলছে রং তামাশা। পুরোবিশ্ব যখন বৈশ্বিক মহামারির প্রথম দাপ কাটিয়ে উঠতে হিসশিম খাচ্ছে।বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম হবে না।সবদিক বিবেচনা করে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলা শহরের চেয়ে উপজেলার জনগন সৌখীন স্বভাবের।

সত্যি-মিথ্যা জানিনা। প্রতিনিয়ত শুনতে হচ্ছে। বাংলাদেশের সকল বিভাগে ঘুষ- দূর্নীতি চলছে অহরহ। এমনকি পরিমান মত উৎকোচ না দিলে সরকারী তহবিলের বরাদ্ধকৃত ফাইলটিও চাপা পড়ে যায়।আসলে যাহা রটে তা কিছু না হয় বটে। তবে সরকরের বরাদ্ধকৃত টাকা মফস্বল এলাকায় পৌঁছতে কি পরিমান উৎকোচ গুনতে হবে। সচেতন সমাজ হয়তো জানেন বা কিছুটা বুজেন।

যেদেশে ১টি ডিমের মুল্য ১ হাজার টাকা সেদেশের মানুষের ভাগ্যে কি রয়েছে। কোবিড১৯ এর কারনে কিছুটা মুল্য বৃদ্ধি পায় উন্নত দেশ গুলোতেও। যুক্তরাষ্ট্রে ১ ডজন ডিমের মুল্য ৩ ডলারের মত (বাংঙালি দোকানে) বিদেশিদের দোকানে ১ ডলার ৩০ সেন্স। বাংলাদেশি টাকায় কত হবে। বর্তমান ডলার মুল্য বাংলাদেশে ৮৬ টাকা (আরো কম)। কতগুন বেশী সাধারন ডিমের মুল্য স্বপ্নের বাংলাদেশে।

বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশের অবস্থা যদি এই হয়। সাধারন জনগন কি করবেন।উন্নত দেশগুলোর মত যদি মহামারি শুরু হয়। তাহলে হাজার হাজার মানুষ হয়তোবা না খেয়ে মরতে বসবে। সৃষ্টিকর্তার ইশারার কাছে সব কিছুই।

সকল মানুষেরই জন্মভূমির প্রতি গভীর টান রয়েছে। বিয়ানীবাজারের সচেতন নাগরিক ও আম জনতাসহ আপনারা একবার চিন্তা করে দেখেন। গত পাঁচ বছর পুর্বে বিয়ানীবাজারের উন্নয়নের চিত্র কেমন ছিল। বর্তমানে উন্নয়ন চিত্র কেমন।
বিগতদিনের উন্নয়ন ও বর্তমান উন্নয়ের পার্থক্যের অবদান কার তা বিচার করার দায়িত্ব আপনাদের সকলের। স্থানীয় এমপি, চেয়ারম্যান ও মেয়র মহোদয়ের নাম লিখলে হয়তো তেলবাজ কিংবা চাটুকার উপাদি লাভ করতে পারি। তবে বিয়ানীবাজার পৌর এলাকার উন্নয়নের চিত্র শতভাগ সাফল্য জনক।

সমাজে সব ধরনের লোকের বসবাস। কেউ ভালো, কেউ আবার মন্দ। কেউবা হিংসুক স্বভাবের। এটা যার যার নিজস্ব স্বভাব। বিয়ানীবাজার পৌর এলাকার উন্নয়নের গতি যেন আরো তরান্বিত হয়ে উঠে এ আশা রাখি। পৌর এলাকার জনগনের আশার আলো তরুন সমাজের অহংকার উন্নয়নের রুপকার এগিয়ে যাও। সকল সমালোচনাকে পিছনে ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার নামই সফলতা। যেখানে সফলতা সেখানে সমালোচনা। যত বড়ই খ্যাতি অর্জন করো না কেন সমালোচনা থাকবেই।

লেখকঃ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক ও বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের সদস্য.

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *